Teknaf News24:: টেকনাফ নিউজ২৪ এ আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
«» প্রদীপ, লিয়াকত সহ সিনহা হত্যায় জেলে যাওয়া ৭ পুলিশ বরখাস্ত «» তদন্তে কক্সবাজারের এসপির নাম এলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা «» ৩১ হাজার ইয়াবাসহ র‍্যাবের হাতে রামুর আলাউদ্দিন আটক «» সিনহা হত্যায় ওসি প্রদীপসহ সাত আসামি কারাগারে «» এখন থেকে কক্সবাজারে সেনা ও পুলিশের যৌথ টহল «» ওসি প্রদীপ কুমার ও তার স্ত্রীর সম্পদ অনুসন্ধানে দুদক «» সিনহা হত্যা মামলার আসামি ওসি প্রদীপ কক্সবাজার আদালতে «» টেকনাফ থানার ওসি’র দায়িত্বে এবিএম এস. দোহা «» ওসি প্রদীপ, লিয়াকতসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারী পরোয়ানা «» ওসি প্রদীপ ইন্সপেক্টর লিয়াকত সহ ৯ পুলিশের বিরুদ্ধে সিনহার বোনের মামলা, তদন্তে র‌্যাব «» অনলাইন নিউজ পোর্টালের নিবন্ধন নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই : তথ্যমন্ত্রী «» মেজর সিনহা হত্যাকাণ্ড: যৌথ সংবাদ সম্মেলনে যা বললেন সেনাপ্রধান ও আইজিপি «» করোনায় একদিনে আরও ৫০ জনের প্রাণহানি «» মামলা করার ‘প্রস্তুতি নিচ্ছে’ সিনহার পরিবার «» পুলিশের গুলিতে সাবেক সেনা কর্মকর্তা নিহতের ঘটনার তদন্ত শুরু «» কোভিড-১৯ এর বিস্তার রোধে দোকান খোলা রাত ৮টা পর্যন্ত, বাড়ির বাইরে ১০টার পর নয় «» জুলাই মাসে ৫০ কোটি টাকার চোরাচালান ও মাদকদ্রব্য জব্দ করেছে বিজিবি «» ৭ আগস্ট থেকে আবুধাবি-ঢাকা রুটে এয়ার অ্যারাবিয়ার ফ্লাইট «» আল-জাজিরার মালয়েশিয়া কার্যালয়ে পুলিশি অভিযান «» সিনহার মাকে প্রধানমন্ত্রীর ফোন, বিচারের আশ্বাস «» বনানীর সামরিক কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত মেজর (অব.) সিনহা «» মাদক ব্যবসায়ীদের বিষাক্ত ইনজেকশনে মারার চিন্তা ফিলিপাইনের «» দুর্নীতির দায়ে মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজাকের ১২ বছরের কারাদণ্ড «» কমিউনিটি ব্যাংক শুধু পুলিশের নয়, দেশের জনগণের ব্যাংক ড. বেনজীর «» উখিয়া-টেকনাফের নব্য কোটিপতিরা নজরদারিতে ! «» ইয়াবা বান্ধব ইউনিয়ন উখিয়ার পালংখালী! «» গরুর ওজন ৩৫ মণ! «» খারাংখালী সীমান্তে মাদকের চালান ভাগ-বাটোয়ারা নিয়ে গোলাগুলিতে নিহত-৪ ইয়াবা, অস্ত্র ও বুলেট উদ্ধার «» নয়াবাজারে ক্ষমতাসীন দলের ছত্রছায়ায় ইয়াবা কারবার! «» প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

সীমান্তে সংঘর্ষে ভারতের ১০০, চীনের ৩৫০ সেনা

লাদাখে গালওয়ান উপত্যাকায় ভারত ও চীনের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ১৫ জুন রাতে সংঘর্ষে ভারতের শতাধিক সেনা অংশগ্রহণ করলেও চীনের পক্ষে ৩৫০ সেনা সদস্য অংশগ্রহণ করে। এতে ২০ জন নিহতসহ ভারতীয় শতাধিক সেনা ফিরে আসলেও চীনের বহু সেনা হতাহত হয়েছে বলে ভারতের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়।

গালওয়ান উপত্যকায় ১৫ জুন রাতে ঠিক কী হয়েছিল? আগ্নেয়াস্ত্র না থাকা সত্ত্বেও ভারত-চীন সেনার মধ্যে এমন রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের সৃষ্টি হল? নানা জল্পনা, নানা মত থাকলেও সেনা বা সরকারিভাবে কিছু জানানো হয়নি।

এই পরিস্থিতিতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর একটি প্রতিবেদনে দাবি করে, োলওয়ান উপত্যকার ওয়াই পয়েন্টে ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করেছিল। বিবাদের সূত্রপাত সেটা নিয়েই। প্রতিবেদনে দাবি, পরিকল্পিত ভাবেই হামলা চালিয়েছিল চীনা সেনা। তারা অপেক্ষাকৃত উঁচু অবস্থানে ছিল। ভারতের পক্ষে ছিল ১০০ অফিসার-সেনা। চীন জড়ো করেছিল প্রায় ৩৫০ সেনা। সংঘর্ষ স্থায়ী হয়েছিল প্রায় তিন ঘণ্টা।

১৫ জুন সন্ধ্যা থেকে রাত পর্যন্ত গালওয়ান উপত্যকার পেট্রোলিং পয়েন্ট ১৪ (পিপি-১৪)-এ ভারত-চীন সংঘর্ষে ভারতের দিকে বিহার রেজিমেন্টের এক কর্নেল ও ১৯ জন সেনার মৃত্যু হয়। চীনের দিকেও হতাহত অনেকে।

ওই সংঘর্ষের পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্কে তীব্র উত্তেজনা। সর্বদলীয় বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রবিবারই প্রতিরক্ষামন্ত্রী সেনার তিন বাহিনীকে চীনা আগ্রাসনের বিরুদ্ধে পূর্ণ স্বাধীনতা দিয়েছেন। কিন্তু ওই দিন প্রকৃত ঘটনা ঠিক কী হয়েছিল বা কী ভাবে হয়েছিল, তার এখনও স্পষ্ট ছবি পাওয়া যায়নি।

সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর একটি প্রতিবেদনে সেটাই উঠে এল। সেনা সূত্র উদ্ধৃত করে ওই প্রতিবেদনের বর্ণনা অনুযায়ী, ওই পিপি-১৪ চীন সেনা দখল নেওয়া থেকেই ঘটনার সূত্রপাত। সেখান থেকে চীনের সেনা সরাতে ১৫ জুন রাতে পূর্ব লাদাখের শিয়ক ও গালওয়ান নদীর সংযোগস্থলে ওয়াই পয়েন্টে দু’দেশের সামরিক পর্যায়ের বৈঠক ডাকা হয়েছিল। তাতে যোগ দিয়েছিলেন ৩ নম্বর ডিভিশনের কমান্ডার ও অফিসাররা। বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, ভারতীয় ভূখণ্ডের অভ্যন্তরে ওই পিপি-১৪ থেকে সরে যাবে চীনা সেনা। ১৬ বিহার রেজিমেন্টের উপর দায়িত্বভার বর্তায় ওই পিপি-১৪-এ গিয়ে চীনের সেনাকে সরে যেতে বলার জন্য। সেই অনুযায়ী বিহার রেজিমেন্টের একটি ছোট টহলদারি দলকে ওই পয়েন্টে পাঠানো হয়।

কী করল ওই পেট্রোলিং দল? প্রতিবেদনের বয়ান অনুযায়ী, বিহার রেজিমেন্টের সেনারা ওই ১৪ নম্বর পয়েন্টে গিয়ে দেখেন ১০-১২ জন চীনা সেনা সেখানে অস্থায়ী কাঠামো তৈরি করে পাহারা দিচ্ছে। বিহার রেজিমেন্টের সেনারা তাদের সরে যেতে বলেন। কিন্তু তারা এলাকা ছাড়তে রাজি হননি। তবে তখন আর বাদানুবাদ না করে ওই সেনারা ইউনিটে ফিরে যান সেই খবর দিতে। কিন্তু চীনা বাহিনী আন্দাজ করেছিল যে, ইউনিটে গিয়ে খবর দিলে ফের ভারতীয় সেনা বড় বাহিনী নিয়ে ফিরতে পারে। সেই অনুযায়ী প্রস্তুতি শুরু করে দেয় তারা। পিপি-১৪-এর কিছুটা উপরের দিকে জড়ে হয় প্রায় ৩৫০ সেনা সেনা। মজুত করা হয় অস্ত্রশস্ত্রও।

এএনআই-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনা সেনার এই নাছোড় মনোভাবের খবর পৌঁছনোর পর বিহার রেজিমেন্টের কমান্ডিং অফিসার সন্তোষ বাবুর নেতৃত্বে ৫০ জনের একটি দল ওই পেট্রোলিং পয়েন্টে পৌঁছায়। চীনা বাহিনীকে এলাকা ছাড়তে বলায় শুরু হয় বাদানুবাদ। বিহার রেজিমেন্টের সেনারা তখন ওই অস্থায়ী কাঠামো ভাঙতে শুরু করে দেন। তাতেই শুরু হয় হাতাহাতি ও মারপিট। কিন্তু চীন আগে থেকেই অস্ত্র মজুত করেছিল। তুলনামূলক উঁচু অবস্থানে থেকে শুরু করে পাথরবৃষ্টি। খবর পেয়ে ভারতের পক্ষের পিপি-১৫ এবং পিপি পিপি-­১৭এ থেকে আরও জনা পঞ্চাশেক সেনা পরে যোগ দেন।

দু’পক্ষের মধ্যে প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে গভীর রাত পর্যন্ত সংঘর্ষ হয়েছিল বলে এএনআই-এর ওই প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। পাশাপাশি উল্লেখ করা হয়েছে, চীনের বহু সেনা আহত অবস্থায় সারা রাত পড়ে ছিল ওই এলাকায়। অনেকে মারা গিয়েছিলেন। পরের দিন সকালে পরিস্থিতি শান্ত হলে তাদের চীনা বাহিনীর হাতে তুলে দেয় ভারতীয় সেনা।

সেনা সূত্র উদ্ধৃত করে এএনআই-এর দাবি, শেষ পর্যন্ত অবশ্য ওই ১৪ নম্বর পেট্রোলিং পয়েন্ট দখলমুক্ত করতে পেরেছে ভারত। তবে সেনা সরিয়ে ১৪, ১৫ ও ১৭-এ পেট্রোলিং পোস্ট এবং সংলগ্ন এলাকায় প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় স্থিতাবস্থা ফেরাতে ফের দু’দেশের সেনা পর্যায়ের বৈঠকের পরিকল্পনা চলছে। আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই দু’দেশের লেফেটেন্যান্ট জেনারেল পর্যায়ের বৈঠক হবে বলে সেনা সূত্রে খবর।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।