Teknaf News24:: টেকনাফ নিউজ২৪ এ আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
«» এ মাসেই এসএসসির ফল প্রকাশ, আগামী মাসে একাদশে ভর্তি কার্যক্রম শুরু «» অসহায় সেই ৭৩ বাবা-মাকে র‌্যাব কর্মকর্তার ‘ঈদ উপহার «» হঠাৎ করে খালেদা জিয়ার ডাক পেলেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল «» ৬৪ শতাংশ শিশুর পরিবার কঠিন খাদ্য সংকটে «» কোনো হাসপাতাল থেকে রোগী ফেরানো যাবে না «» বাহরাইনে সাধারণ ক্ষমার মেয়াদে অবৈধ অবস্থানকারীদের আটক করা হবে না «» বিশ্বের সবচেয়ে বড় দানবাক্স আরব আমিরাতে বুর্জ খলিফা! «» লাদাখ সীমান্তে চীনা হেলিকপ্টার, যুদ্ধবিমান মোতায়েন ভারতের «» সিকিম সীমান্তে ভারত-চীন সেনাদের সংঘর্ষ «» দেখে নিন:এক নজরে কোন জেলায় কতজন করোনায় আক্রান্ত «» কাশ্মীর সীমান্তে উড়ছে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান, উদ্বিগ্ন ভারত «» অসহায় শিশু জয়নব কে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন «» মাঠে নেই বিত্তশালী মন্ত্রী এমপিরা «» করোনায় ২৪ ঘণ্টায় ১৪ মৃত্যু, একদিনে সর্বোচ্চ ৮৮৭ রোগী শনাক্ত «» করোনা চিকিৎসায় দেশে উৎপাদন হলো রেমডেসিভির «» টেকনাফের বাহারছড়ায় দুই বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থী কে হত্যার চেষ্টা আটক -৩ :অধরায় মূল হোতা «» দশ দিনেই চিকিৎসার সাফল্য ৪র্থ রিপোর্টেও নেগেটিভ : তুমব্রুর সেই করোনার প্রথম রোগীর জয় «» সৌদিতে করোনায় আক্রান্ত ৩৭১৭ বাংলাদেশি, মৃত ৫৫ «» কারাগারে করোনায় আক্রান্ত হওয়ার ভয়ে সৌদি রাজকন্যা «» আমাদের মতো বেকুব জনগণের বেঁচে থাকার দরকারইবা কী? «» চলছে মাগফিরাতের ১০দিন «» সোমালিয়ায় করোনার ত্রাণবাহী বিমান বিধ্বস্ত, নিহত ৬ «» মধ্যপ্রাচ্যে করোনা ছড়িয়েছে ইরান! «» সবাই সরকারের প্রশংসা করলেও বিএনপি পারে না: তথ্যমন্ত্রী «» ৬ সপ্তাহে ১২ লাখ মানুষকে ত্রাণ দিয়েছে বিএনপি «» বিশ্বে করোনা আক্রান্তের তালিকায় উর্ধ্বমুখী বাংলাদেশ «» একদিনে ৭৮৬ জনের করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ১ «» ১০ মে খুলবে দোকানপাট ও শপিংমল «» নতুন মাত্রায় লকডাউন,১০ দিনের আরও সাধারণ ছুটি দিয়েছে সরকার «» কেরালায় ‘নৌকাবাড়ি’তে হচ্ছে আইসোলেশন ওয়ার্ড

জুন পর্যন্ত কোনো কিস্তি আদায় নয়, তবে ঋণ দেওয়া যাবে

দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যে পড়েছে করোনাভাইরাসের প্রভাব। করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে সবকিছু বন্ধ করে দিয়ে বাড়িতে থাকতে বাধ্য করা হচ্ছে। কিন্তু যাদের মাথায় ক্ষুদ্রঋণের বোঝা, তারা কী করবেন? বাধ্য হয়ে রাস্তায় নামতে হচ্ছে তাদের। কারণ ঋণ তো পরিশোধ করতেই হবে।

এমন পরিস্থিতিতে ক্ষুদ্র ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি। সংস্থাটি জানায়, দেশের যেসব ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা এনজিও বা ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা পরিচালনা করছেন সেসব প্রতিষ্ঠান আগামী জুন পর্যন্ত নতুন করে কাউকে ঋণ খেলাপি ঘোষণা করতে পারবে না। গত ২২ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে পাঠিয়েছে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।

তারপরও এ প্রজ্ঞাপনের ভুল ব্যাখা দিয়ে দেশের কিছু এলাকায় ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহীতাকে কিস্তি পরিশোধে বাধ্য করা হচ্ছে। বিষয়টি স্পষ্ট করে দেয়ার জন্য বুধবার (২৫ মার্চ) আরও একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটি।

এতে বলা হয়, করােনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি অপরিশােধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানাে যাবে না। অর্থাৎ এই সঙ্কটময় সময়ে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশােধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশােধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না। একই সঙ্গে কোনো প্রতিষ্ঠান যদি নতুন করে কাউকে ঋণ দিতে চায় সেটা দিতে পারবে।

এ প্রজ্ঞাপনটি সনদপ্রাপ্ত সব ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার নিকটও পাঠানো হয়েছে। নতুন প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, বিরাজমান করােনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে এই অথরিটির সনদপ্রাপ্ত ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহের ঋণগ্রহীদের ব্যবসা-বাণিজ্য তথা স্বাভাবিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্ত ঋণগ্রহীতাদের সহযােগিতার লক্ষ্যে কর্তৃপক্ষ গত ২২ মার্চ এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে। ইস্যুকৃত সার্কুলারে ২০২০ সালের ১ জানুয়ারি ঋণের শ্ৰেণিমান যা ছিল, আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত ওই ঋণ তদাপেক্ষা বিরূপমানে শ্রেণিকরণ করা যাবে না এবং কোনো ঋণের শ্ৰেণিমানের উন্নতি হলে তা বিদ্যমান নিয়মানুযায়ী শ্রেণিকরণ করা যাবে মর্মে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানসমূহকে নির্দেশনা প্রদান করা হয়।

তবে ওই সার্কুলারের নির্দেশনা বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান সংশ্লিষ্টদের কাছে অস্পষ্টতা পরিলক্ষিত হওয়ায় সার্কুলারে বর্ণিত বিষয়াবলি অধিকতর স্পষ্টীকরণের আবশ্যকতা দেখা দিয়েছে। এ প্রেক্ষিতে বিষয়টি অধিকতর স্পষ্টীকরণের লক্ষ্যে জানানাে যাচ্ছে যে, করােনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে ঋণগ্রহীতাদের আর্থিক অক্ষমতার কারণে ক্ষুদ্রঋণের কিস্তি অপরিশােধিত থাকলেও তাদের আর্থিক অবস্থা বিবেচনায় নিয়ে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত প্রাপ্য কোনো কিস্তি বা ঋণকে বকেয়া বা খেলাপি দেখানাে যাবে না। অর্থাৎ এই সংকটময় সময়ে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান থেকে ঋণগ্রহীতাদের কিস্তি পরিশােধে বাধ্য করা যাবে না। তবে কোনো গ্রাহক স্বেচ্ছায় ঋণের কিস্তি পরিশােধে ইচ্ছুক হলে সেক্ষেত্রে কিস্তি গ্রহণে কোনো বাধা থাকবে না।

উল্লেখ্য, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নতুন ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে বর্ণিত সার্কুলার লেটারের মাধ্যমে কোনোরূপ নিষেধাজ্ঞা আরােপিত হয়নি।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।