Teknaf News24:: টেকনাফ নিউজ২৪ এ আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
«» আবরার ফাহাদ হত্যার প্রতিবাদে বিক্ষোভে উত্তাল সারাদেশ «» টেকনাফ সড়কে কাভার্ড ভ্যান চাপায় কলেজ ছাত্রী মিনাবাজারের সাকি নিহত «» বিজিবির অভিযানে ঝুঁড়ি থেকে মিলল প্রায় ২২০০০ ইয়াবা «» ক্যাসিনো কেলেঙ্কারিতে বেরিয়ে আসছে থলের বিড়াল: দুর্নীতির বিপুল অঙ্কের টাকা থাইল্যান্ডে «» যুবলীগ চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরীর ব্যাংক হিসাব তলব «» কাশ্মীরিদের আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকার নিয়ে কোনো আপস নয়: পাক সেনাপ্রধান «» ৮ দিন পর পৃথিবীতে অবতরণ করলেন আরব আমিরাতের মুসলিম নভোচারীরা «» দিনদিন কমছে ফজরের নামাজে মুসল্লির সংখ্যা; উত্তরণের উপায় কী? «» শুক্রবার সূরা কাহাফ তিলাওয়াতে রয়েছে বিশেষ ফজিলত «» ১৯৫৭ থেকে সেবা দিচ্ছে যে টেলিস্কো «» নিজের ধর্ম নিয়ে বক্তব্য দিয়ে বিতর্কে জড়ালেন অমিতাভ «» বিমানের পরিচ্ছন্নতাকর্মীর জুতায় ২ কোটি টাকার স্বর্ণের বার «» ভুটান কোচের দৃষ্টিতে সেরা জামাল «» বাহরাইনে বাড়ছে স্বাস্থ্য ঝুঁকি, গত ১০ দিনে ৮ বাংলাদেশির মৃত্যু «» আরও ১১ এএসপি বদলি «» যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের নতুন যুগ্মসচিব রেখা রানী বালো «» খালেদা জিয়া কি মুক্তি পাচ্ছেন ? «» সৌদির ৩ ঘাঁটি ও ১৫০ বর্গকিমি. এলাকা দখলে নিয়েছে হুতিরা! «» খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর মনোভাব জানালেন কাদের «» সব ইমাম-মুয়াজ্জিনকে সরকারি বেতন দিতে র‌্যাব মহাপরিচালকের প্রস্তাব «» কক্সবাজারে পেঁয়াজের মূল্য সর্বোচ্চ ৭০ টাকা : জেলা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত «» একটি মহল রোহিঙ্গাদের নিয়ে অশুভ খেলায় মেতে উঠেছে «» চতুর্দিক থেকে বিপদ আসছে, সতর্ক থাকুন: মির্জা ফখরুল «» বসবাসের অযোগ্য শহরের তালিকায় তৃতীয় ঢাকা «» কাশ্মীর নিয়ে ইমরান খানের সঙ্গে সৌদি-আমিরাত পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক «» হঠাৎ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠল ভারতের পাঞ্জাব, নিহত ২১ «» সাংবাদিক জসিম উদ্দিন টিপুর পিতা আর নেই «» নাজিরপাড়া থেকে আটককৃত বিজিপির ৪ সদস্যকে মিয়ানমারে হস্তান্তর «» রোহিঙ্গা সমাবেশে সহযোগিতাকারীদের আইনের আওতায় আনা হবে : বিভাগীয় কমিশনার «» রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ায় শেখ হাসিনার প্রশংসায় সৌদি নৌবাহিনীর প্রধান

আজ ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নেমে এসেছিল ভয়াবহ দুর্যোগ।

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলের জনপদ। মৃত্যু হয়েছিল কয়েক লাখ মানুষের। ভেসে গিয়েছিল খেতের ফসল, লাখ লাখ গবাদি পশু।

সেই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফসহ আট উপজেলা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারাসহ উপকূলের হাজার হাজার গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল ২৮ বছরে পা রাখলেও সামগ্রিক ঝুঁকিমুক্ত হয়নি উখিয়া-টেকনাফ ৮০ কিলোমিটার জনপদ।

এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন। দুঃসহ সে স্মৃতি এখনো কাঁদায় স্বজনহারা মানুষগুলোকে। আজ থেকে ২৭ বছর আগে ১৯৯১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের উপকূল দিয়ে দুঃস্বপ্নের মতো বয়ে গিয়েছিল এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস।

২৯ এপ্রিলের সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আবারও উপকূলীয় মানুষের কাছে দিনটি ফিরে এসেছে।

২৭ বছর আগের সেই ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গিয়েছিল কক্সবাজারে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, উখিয়া-টেকনাফ উপকূলীয় এলাকা।

এছাড়া লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালীসহ দেশের ১৩টি উপকূলীয় জেলার শত শত ইউনিয়ন।

ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২২৫ কিলোমিটার গতিবেগের ঘূর্ণিঝড় এবং ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দেশের উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয়েছিল বিরাণভূমিতে। ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় একলাখ ৬০ হাজার মানুষ।

যদিও সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা ছিল একলাখ ৩৮ হাজার। সম্পদহানি হয়েছিল চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রায় ৬০ লাখ মানুষ।

ঘূর্ণিঝড়ের পর সামর্থ্যবান মানুষ দ্বীপ ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অপরদিকে মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বর্তমানে সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে মারাত্মক দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করছে।

এখানে অধিকাংশ বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। সব ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে একটি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত হচ্ছে না।

তাছাড়া উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবন নিধন করে চিংড়ি ঘের নির্মাণ করায় যে কোনোসময় ঘূর্ণিঝড় হলে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষের নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য তৎকালীন জেলা প্রশাসক কক্সবাজারে বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝাউ ও নারিকেল চারা রোপণ করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় উখিয়া-টেকনাফ উপকূলে সৃজিত ঝাউবাগান পর্যটকদের জন্য দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও এখন সেই পরিবেশ আর নেই।

বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকার ঝাউবাগান দখল করে বসবাস করছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। যাদের মধ্যে বেশির ভাগই রোহিঙ্গা নাগরিক। এসব রোহিঙ্গা নির্বিচারে ঝাউগাছ কর্তনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার ফলে উপকূলীয় এলাকা ফের অরক্ষিত হয়ে পড়ে।

১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর জেলায় ৪৫০টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণের ফলে প্রায় ১৫টি সাইক্লোন শেল্টার সমুদ্রে তলিয়ে যায়। অর্ধশতাধিক সাইক্লোন শেল্টার বেদখল হয় এবং ২০টি নির্মাণজনিত ত্রুটির ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।