Teknaf News24:: টেকনাফ নিউজ২৪ এ আপনাকে স্বাগতম
সংবাদ শিরোনাম :
«» পুড়ছে মসজিদ-ঘরবাড়ি আর দোকানপাট, নীরবে দেখছে দিল্লির পুলিশ «» হিন্দুত্ববাদী তাণ্ডবে দিল্লিতে নিহতের সংখ্যা বেড়ে ২৭ «» রইক্ষং শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের উদ্দোগে পবিত্র খতমে বুখারী ও দোয়া মাহফিল সম্পন্ন:দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনা করে বিশেষ মোনাজাত «» বিভিন্ন অনলাইন নিউজে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদে মাওলানা মুজিবুররহমান «» টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রুটে আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই চলছে পারিজাত ও দোয়েল জাহাজ «» মিয়ানমার থেকে পিয়াঁজ আমদানি অব্যাহতঃ কমছেনা দাম «» রোহিঙ্গা ডাকাতদের আতংকে এলাকাবাসীর ঘুম নেই :রাত জেগে পাহারা দিচ্ছে গ্রামবাসী «» রামু উপজেলার পূর্ব গোয়ালিয়ায় সন্ত্রাসী হামলায় নারী পুরুষ সহ আহত-৭ «» বন্দর ও জাহাজ নির্মাণে (দুবাই) ইউএই’র বিনিয়োগ কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী «» বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাত সম্পন্ন «» আমিন আমিন’ ধ্বনিতে প্রকম্পিত তুরাগ তীর «» হোয়াইক্যংয়ে ছুরিকাঘাতে এক স্কুল ছাত্র নিহত «» ২৬ জানুয়ারী হ্নীলা উম্মে সালমা ইসলামিয়া মহিলা দাখিল মাদ্রাসার ২য় বার্ষিক ইসলামী সম্মেলন «» ইরাকে মার্কিন দূতাবাসের কাছে আবারো রকেট হামলা «» ইরানের ক্ষেপণাস্ত্রে কোনো মার্কিন সৈন্য মারা যায়নি: ট্রাম্প «» ইরাকে ইরানি হামলায় মার্কিন সামরিক ঘাঁটির রাডার ব্যবস্থা সম্পূর্ণ ধ্বংস! «» মাওলানা আবছার উদ্দিন চৌধুরী কে স্বপদে বহাল রাখায় আরব আমিরাতে শুকরানা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্টিত «» হারুন অর রশিদ এর মেয়ের জন্য দোয়া কামনা «» কক্সবাজারে ইয়াবা ও অস্ত্র উদ্ধারে রেকর্ড «» বাংলাদেশের পাকিস্তান সফর নিয়ে তাড়াহুড়া করা উচিত নয় «» ১০ বছরে ৯ লাখ হাজার কোটি টাকা বিদেশে পাচার হয়েছে: মেনন «» জেএসসি-পিইসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ ৩১ ডিসেম্বর «» গ্রাম পুলিশকে ১৯ ও ২০তম গ্রেডে উন্নীত করার নির্দেশ «» ৫০ কোটি মার্কিন ডলার বিনিয়োগে এগিয়ে চলছে নাফ ট্যুরিজম পার্কের কার্যক্রম «» ইহুদিবাদী ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল তেলআবিব «» টেকনাফ র‌্যাবের হাতে ২লাখ ইয়াবাসহ মিয়ানমার নাগরিক আটক «» রোহিঙ্গাদের দ্রুত ফেরত নিতে মিয়ানমারের প্রতি বান কি-মুনের আহ্বান «» মহেশখালীতে ১২ জলদস্যু বাহিনীর ৯৬ সদস্য অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়ে আত্মসমর্পণ «» কার্গো বিমানে পেঁয়াজ আমদানির সিদ্ধান্ত «» দাম বাড়ায় রাতে পেঁয়াজ ক্ষেত পাহারা

আজ ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল

আজ ভয়াল ২৯ এপ্রিল। ১৯৯১ সালের এ দিনে চট্টগ্রাম ও কক্সবাজারসহ দেশের উপকূলীয় অঞ্চলে নেমে এসেছিল ভয়াবহ দুর্যোগ।

প্রলয়ঙ্করী ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস তছনছ করে দিয়েছিল উপকূলের জনপদ। মৃত্যু হয়েছিল কয়েক লাখ মানুষের। ভেসে গিয়েছিল খেতের ফসল, লাখ লাখ গবাদি পশু।

সেই ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের তাণ্ডবে কক্সবাজারের উখিয়া-টেকনাফসহ আট উপজেলা ও চট্টগ্রামের বাঁশখালী-আনোয়ারাসহ উপকূলের হাজার হাজার গ্রাম লণ্ডভণ্ড হয়ে যায়। ক্ষতি হয় কোটি কোটি টাকার সম্পদ।

ভয়াল সেই ২৯ এপ্রিল ২৮ বছরে পা রাখলেও সামগ্রিক ঝুঁকিমুক্ত হয়নি উখিয়া-টেকনাফ ৮০ কিলোমিটার জনপদ।

এ দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি শোকাবহ দিন। দুঃসহ সে স্মৃতি এখনো কাঁদায় স্বজনহারা মানুষগুলোকে। আজ থেকে ২৭ বছর আগে ১৯৯১ সালের এই দিনে বাংলাদেশের উপকূল দিয়ে দুঃস্বপ্নের মতো বয়ে গিয়েছিল এক ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস।

২৯ এপ্রিলের সেই ধ্বংসযজ্ঞের স্মৃতি বয়ে নিয়ে আবারও উপকূলীয় মানুষের কাছে দিনটি ফিরে এসেছে।

২৭ বছর আগের সেই ২৯ এপ্রিলের মধ্যরাতে আঘাত হানা ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে তলিয়ে গিয়েছিল কক্সবাজারে মহেশখালী, কুতুবদিয়া, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, উখিয়া-টেকনাফ উপকূলীয় এলাকা।

এছাড়া লণ্ডভণ্ড হয়ে যায় চট্টগ্রামের আনোয়ারা, বাঁশখালীসহ দেশের ১৩টি উপকূলীয় জেলার শত শত ইউনিয়ন।

ঘণ্টায় ২০০ থেকে ২২৫ কিলোমিটার গতিবেগের ঘূর্ণিঝড় এবং ২৫ থেকে ৩০ ফুট উঁচু জলোচ্ছ্বাসে দেশের উপকূলীয় এলাকা পরিণত হয়েছিল বিরাণভূমিতে। ভয়াবহ ওই ঘূর্ণিঝড়ে মারা যায় প্রায় একলাখ ৬০ হাজার মানুষ।

যদিও সরকারি হিসেবে মৃতের সংখ্যা ছিল একলাখ ৩৮ হাজার। সম্পদহানি হয়েছিল চার হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল প্রায় ৬০ লাখ মানুষ।

ঘূর্ণিঝড়ের পর সামর্থ্যবান মানুষ দ্বীপ ছেড়ে অন্যত্র চলে যায়। অপরদিকে মহেশখালী উপজেলার ধলঘাট ইউনিয়নে প্রায় ৩০ হাজার মানুষ বর্তমানে সমুদ্রের জোয়ারের পানিতে প্লাবিত হয়ে মারাত্মক দুঃখ কষ্টে জীবন যাপন করছে।

এখানে অধিকাংশ বিধ্বস্ত বেড়িবাঁধ পুনঃনির্মাণ করা হয়নি। সব ক্ষেত্রে চরম দুর্নীতি ও লুটপাটের ফলে একটি টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মিত হচ্ছে না।

তাছাড়া উপকূলীয় এলাকায় প্যারাবন নিধন করে চিংড়ি ঘের নির্মাণ করায় যে কোনোসময় ঘূর্ণিঝড় হলে ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের চেয়েও বেশি ভয়াবহ হবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

সূত্রে জানা যায়, ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর উপকূলীয় এলাকায় বসবাসরত মানুষের নিরাপদ জীবন যাপনের জন্য তৎকালীন জেলা প্রশাসক কক্সবাজারে বিভিন্ন উপকূলীয় এলাকায় ঝাউ ও নারিকেল চারা রোপণ করেন।

এরই ধারাবাহিকতায় উখিয়া-টেকনাফ উপকূলে সৃজিত ঝাউবাগান পর্যটকদের জন্য দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক পরিবেশ সৃষ্টির পাশাপাশি যেকোন প্রাকৃতিক দুর্যোগে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও এখন সেই পরিবেশ আর নেই।

বিস্তীর্ণ উপকূলীয় এলাকার ঝাউবাগান দখল করে বসবাস করছে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ। যাদের মধ্যে বেশির ভাগই রোহিঙ্গা নাগরিক। এসব রোহিঙ্গা নির্বিচারে ঝাউগাছ কর্তনের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখার ফলে উপকূলীয় এলাকা ফের অরক্ষিত হয়ে পড়ে।

১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়ের পর জেলায় ৪৫০টি সাইক্লোন শেল্টার নির্মাণ করা হয়। কিন্তু অপরিকল্পিতভাবে নির্মাণের ফলে প্রায় ১৫টি সাইক্লোন শেল্টার সমুদ্রে তলিয়ে যায়। অর্ধশতাধিক সাইক্লোন শেল্টার বেদখল হয় এবং ২০টি নির্মাণজনিত ত্রুটির ফলে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।