,

সংবাদ শিরোনাম :
«» খাসোগি নিয়ে সৌদির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেবে জার্মানি «» মহানবী (স.) কে কটূক্তি না করতে ইউরোপীয় আদালতে রুল জারি «» চাইলে ফের আলোচনা হতে পারে : ওবায়দুল কাদের «» ড. কামাল হোসেন রাজাকার: বিচারপতি মানিক «» টেকনাফে বন্ধুক যুদ্ধে ২ সাদ্দাম নিহত : অস্ত্র, বুলেট ও ইয়াবা উদ্ধার «» দুর্নীতির আরেক মামলায় খালেদা জিয়ার ৭ বছরের কারাদণ্ড «» ভারতে ঢুকে ৩ সেনাকে হত্যা পাকবাহিনীর «» সংসদে বিল উত্থাপন: ইয়াবা-হেরোইন সেবন ও বহনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড «» ৯ মাসে প্রবাসী আয় ১২ হাজার মিলিয়ন ডলার: সংসদে প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী «» এসআই নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ «» ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন গ্রেফতার «» টেকনাফ কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল নব নির্মিত ভবণ-উদ্ধোধন করলেন আব্দুর রহমান বদি এমপি «» আরও কত উইকেট পড়বে সময় বলে দেবে: ওবায়দুল কাদে «» আমরা সুষ্ঠু নির্বাচন চাই: সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে এরশাদের ১৮ দফা ইশতেহার «» শহরের বিসিক এলাকায় র‌্যাবের অভিযান: ৫ কোটি টাকার ইয়াবাসহ আটক ৩ «» টেকনাফ সদরের চেয়ারম্যান শাহজাহান মিয়ার গাড়িতে ইয়াবা! চালক সহ আটক-২ «» সৌদি-বাংলাদেশ সম্পর্ক আরও উন্নত হবে: সৌদি বাদশাহ «» নিখোঁজের ৪ দিন পর নাফনদী থেকে হোয়াইক্যং স্কুলের দপ্তরি রশীদের গলাকাটা লাশ উদ্ধার «» টেকনাফের জালিয়ার দ্বীপ সংলগ্ন নাফ নদী হতে অজ্ঞাত দুটি লাশ উদ্ধার «» ইসরাইলকে থামালে বিশ্বে সন্ত্রাস বন্ধ হবে: মাহাথির «» সাবরাং ২নং ওয়ার্ড উপ- নির্বাচনে ছিদ্দিক আহদ নির্বাচিত «» টেকনাফে ঘুমন্ত অবস্থায় বড় ভাইয়ের হাতে ছোট ভাই খুন! «» টেকনাফে র‌্যাবের অভিযান: চোরাই সিগারেটসহ রোহিঙ্গা নাগরিক আটক «» মুসলিম উম্মার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান «» ইয়াবাসহ ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্যানেল মেয়রের পুত্র-পত্রবধূ গ্রেফতার «» কাকরাইলে আবারও তাবলিগের দুই গ্রুপ মুখোমুখি «» পাকিস্তানকে হারানোর পর বাংলাদেশকে অভিনন্দন আফ্রিদির «» কাশ্মিরে বন্দুকযুদ্ধে ভারতীয় সেনাসহ নিহত ৩ «» ভারতীয় বিমান বাহিনীর উপপ্রধান গুলিবিদ্ধ «» পরকীয়া অপরাধ নয় : ভারতের সুপ্রিম কোর্টের রায়

সংসদে বিল উত্থাপন: ইয়াবা-হেরোইন সেবন ও বহনের সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড

টেকনাফ নিউজ২৪ ডেস্ক : অ্যামফিটামিন বা ইয়াবা, শিশা, কোকেন, হেরোইন ও পেথিডিন জাতীয় মাদকের ব্যবহার, সেবন, বহন, আমদানি-রপ্তানি বা বাজারজাত করার সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড—এই বিধান রেখে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ বিল ২০১৮ সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে। আজ সোমবার সংসদের বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বিলটি উত্থাপন করেন।
পরে বিলটি দুই দিনের মধ্যে পরীক্ষা করে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়।

প্রস্তাবিত আইনের ৯ ধারায় বলা আছে, অ্যালকোহল ব্যতীত অন্যান্য মাদকদ্রব্যের উৎপাদন বা প্রক্রিয়াজাতকরণে ব্যবহার হয় এমন কোনো দ্রব্য বা উদ্ভিদের চাষাবাদ, উৎপাদন, বহন, পরিবহন বা আমদানি-রপ্তানি, সরবরাহ, বিপণন, গুদামজাত, সেবন বা ব্যবহার, অর্থ বিনিয়োগ বা পৃষ্ঠপোষকতা করা যাবে না। বিলের ৩৬ ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি আইনের এই বিধান লঙ্ঘন করলে তিনি সর্বোচ্চ মৃত্যুদণ্ডে বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

বিলের ১১ ধারায় বলা হয়েছে, অনুমতি (পারমিট) ব্যতীত কোনো ব্যক্তি অ্যালকোহল পান করতে পারবেন না। চিকিৎসার প্রয়োজনে সিভিল সার্জন বা সরকারি মেডিকেল কলেজের কমপক্ষে সহযোগী অধ্যাপকের ব্যবস্থাপত্র ব্যতীত কোনো মুসলমানকে অ্যালকোহল পানের পারমিট দেওয়া যাবে না। তবে মুচি, মেথর, ডোম, চা শ্রমিক ও ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর তাড়ি ও পঁচুই এবং পার্বত্য জেলা বা অন্যান্য অঞ্চলের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ঐতিহ্যগতভাবে তৈরি করা মদ পান করার ক্ষেত্রে এই বিধান প্রযোজ্য হবে না।

২৪ ধারায় বলা আছে, তদন্ত কর্মকর্তার যদি এই মর্মে সন্দেহ হয় যে, কোনো ব্যক্তি শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে মাদকদ্রব্য লুকিয়ে রেখেছেন। সেই ক্ষেত্রে ওই কর্মকর্তা সন্দেহজনক ব্যক্তির শরীরে এক্স-রে, আল্ট্রাসনোগ্রাম, অ্যান্ডোসকপি এবং রক্ত ও মলমূত্র পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।

৩৩ ধারায় বলা আছে, কোনো ব্যক্তি মাদকদ্রব্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থেকে অবৈধ অর্থ ও সম্পদ সংগ্রহে লিপ্ত রয়েছেন; মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তার এমন সন্দেহ হলে তিনি সন্দেহজনক ব্যক্তির ব্যাংক হিসাব বা আয়কর নথি পরীক্ষার প্রয়োজনে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কিত বিবৃতিতে মন্ত্রী বলেন, সম্প্রতি রাজধানী ঢাকাসহ দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ব্যাপকভাবে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য ও মাদকদ্রব্যের উপজাতের অপব্যবহার হচ্ছে। এ সব দ্রব্য কোনো কোনোটি জীবন বিধ্বংসী। ইয়াবার আগ্রাসন ভয়াবহভাবে বেড়েছে। ইয়াবা ব্যবসার জন্য শাস্তির মেয়াদ বাড়ানো প্রয়োজন। ‘শিশা বার’-এর অনিয়ন্ত্রিত কর্মকাণ্ড সার্বিক আইনশৃঙ্খলার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। এ ছাড়া মাদক সংক্রান্ত মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির স্বার্থে মোবাইল কোর্টের এখতিয়ার আরও সম্প্রসারণ প্রয়োজন। মাদক ব্যবসায়ীর পাশাপাশি এই ব্যবসার পৃষ্ঠপোষক ও অর্থলগ্নিকারীদেরও আইনের আওতায় আনা সময়ের দাবি। তাই মাদকের ভয়াবহ আগ্রাসন থেকে দেশের জনগণকে রক্ষা করতেই এই বিলটি আনা হয়েছে।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।