,

সংবাদ শিরোনাম :
«» ভোটার তালিকায় রোহিঙ্গা ঠেকাতে ৩২ উপজেলায় ইসির কমিটি «» হোয়াইক্যংয়ের খলিল ইয়াবাসহ র‌্যাবের হাতে আটক «» উনছিপ্রাং স্কুলে একলাবের সভা অনুষ্টিতঃ মানবাধিকার রক্ষায় সুশীল সমাজকে এগিয়ে আসার আহ্বান «» টেকনাফ উপজেলা নির্বাচন : চেয়ারম্যান আলম ভাইস-চেয়ারম্যান ফেরদৌস ও তাহেরা নির্বাচিত «» বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক বিশ্বে একটি রোল মডেল: প্রধানমন্ত্রী «» বিক্ষোভে উত্তাল ঢাবি ক্যাম্পাস:সিলযুক্ত ব্যাটল বাক্স উদ্ধার «» টেকনাফে বিজিবি’র অভিযানে ৮ লাখ ৪০ হাজার ইয়াবা জব্দ «» পুলিশের বন্দুকযুদ্ধে মহেষখালিয়া পাড়ার আবদুর রহমান নিহত «» চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে সৌদিয়া-মাইক্রো সংঘর্ষে নিহত 8 «» ভেজাল রোধে হবে খাবারের পরীক্ষাগার: প্রধানমন্ত্রী «» জেলা ও উপজেলায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনে সমঝোতা স্মারক সই «» আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়ার মধ্যেও বন্দুকযুদ্ধ «» ১৬ ফেব্রুয়ারি ইয়াবা ব্যবসায়ীদের আত্মসমর্পণ «» নারী কণ্ঠে গান গেয়ে চমক দেখালেন শাবনূর ভক্ত মিজান «» ইসলাম প্রেমে হেরে গেল ইসরায়েলের ১০০ মিলিয়ন ডলার «» প্রবাসী কর্মী নির্যাতন ঘটনায় আইনি পদক্ষেপ মালয়েশিয়ার «» সৌদি কারাগারে চুমু দিতে বাধ্য করা হয় নারী বন্দিদের «» তামাশার নির্বাচনের পর চা-চক্র বিবেকহীন আনন্দ: রুহুল কবির রিজভী «» চা-চক্রের নিমন্ত্রণে না গিয়ে বিএনপি আলোচনার সুযোগ হারিয়েছে: হানিফ «» তাবলিগ জামাতের বিভেদ মিটে গেছে – স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী «» আফগান যুদ্ধের ইতি টানতে রূপরেখা তৈরি মার্কিন-তালেবান «» মানবপাচার প্রতিরোধে সকলের সচেতন হওয়া উচিৎ :উখিয়ায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের যুগ্নসচিব «» বেতনের আওতায় নারী ফুটবলাররা «» উখিয়ায় মেজবানের রান্না করা মাংসে ‘আল্লাহু’ লেখা «» এনজিওতে স্থানীয়দের অগ্রাধিকার দেয়ার নির্দেশ জেলা প্রশাসক’র «» আরও ৩১ রোহিঙ্গাকে বাংলাদেশে পাঠাতে চায় ভারত «» সৌদি গণমাধ্যমে বাংলাদেশের চা «» সোনার বাংলা গড়তে সবার সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী «» ইয়াবা ব্যবসায়ীদের নামে বেনামের সম্পদ জব্দ ও শাস্তি নিশ্চিতের দাবী স্বচেতন মহলের «» জাতীয় পার্টি শক্ত বিরোধীদলের ভুমিকা রাখবে: রাঙ্গা

মুসলিম উম্মার প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের টেকসই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধির প্রচারণায় নেতৃত্ব দেয়ার জন্য মুসলিম উম্মার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে রোহিঙ্গাদের টেকসই স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি এবং তাদের ওপর সংঘটিত নৃশংসতার জবাবদিহিতা নিশ্চিতের জন্য মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধির প্রচারনার নেতৃত্ব দেয়ার জন্য আমি মুসলিম উম্মার প্রতি আহ্বান জানাচ্ছি। প্রধানমন্ত্রী আজ জাতিসংঘ সদর দফতরে রোহিঙ্গা মুসলিম সংখ্যালঘুদের বিষয়ে ওআইসি কন্টাক্ট গ্রুপের সভায় বক্তব্য দানকালে এ আহ্বান জানান। সৌদি আরবের স্থায়ী মিশন ও ওআইসি সচিবালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। সভায় ওআইসির মহাসচিব ড. ইউসেফ আল ওথেইমীনও বক্তৃতা করেন। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গা মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যাপক মানবাধিকার লংঘনের বিষয় মোকাবেলায় জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ ও মানবাধিকার কাউন্সিলের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহসহ জাতিসংঘ ব্যবস্থাপনায় ওআইসি দেশগুলোর অব্যাহতভাবে জড়িত থাকার বিষয়ে বাংলাদেশ গুরুত্বারোপ করেছে। তিনি বলেন, ‘সর্বোপরি স্বল্পতম সময়ে আমাদের এ সমস্যার সমাধান করা আবশ্যক। প্রধানমন্ত্রী বলেন, তিনি গৃহহীন ও নিরাশ রোহিঙ্গাদের জন্য এই সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে গত সেপ্টেম্বরে ৫-দফা কর্মপরিকল্পনার প্রস্তাব করেছেন। তিনি বলেন, ‘পরিতাপের বিষয় হচ্ছে যে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া এখনো শুরুই হয়নি। এ বছর কতিপয় সুস্পষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য প্রধানমন্ত্রী ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, জবাবদিহিতার বিষয় নিশ্চিতে ওআইসির মন্ত্রী পর্যায়ের এড-হক কমিটি গঠনের জন্য আমরা সাধুবাদ জানিয়েছি। অবশ্য এখনো পর্যন্ত এই প্রস্তাব কার্যকরে যথেষ্ট বাস্তবসম্মত প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হয়নি। শেখ হাসিনা আবারো রোহিঙ্গা সংকটকে মিয়ানমারে গভীরভাবে প্রোথিত একটি রাজনৈতিক সংকট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘অতএন এর সমাধানও মিয়ানমারকেই খুঁজে বের করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সহস্রাব্দকালের পুরানো নিজ বাসভূমে ‘গণহত্যার’ শিকার রোহিঙ্গা মুসলমানরা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশে আসতে শুরু করেছে তাও এক বছরাধিককাল পেরিয়ে গেছে। তিনি বলেন, মানব জাতির ইতিহাসের অন্যতম বড় ঘটনা রোহিঙ্গাদের জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত করা, তাদের দুর্দশার বিষয়টি আমরা অগ্রাহ্য করতে পারি না। ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গ বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের রোহিঙ্গা মুসলিম ভাই-বোনদের জীবনে এমন দুর্ভাগ্যজনক ঘটনা নতুন কিছু নয়। বর্তমান ঘটনাটি মিয়ানমার থেকে বাংলাদেশে রোহিঙ্গাদের আগমনের তৃতীয় বড় ধরনের ঘটনা।তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনই কেবল এ সমস্যার একমাত্র টেকসই সমাধান নয়, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রতিরোধের আগে বরং পরিস্থিতির অবনতির দুটি প্রশ্ন সামনে নিয়ে এসেছে। এই প্রশ্নগুলো হচ্ছে : যৌথ দায়িত্ব ও জবাবহিহিতা এবং মিয়ানমার কর্তৃক এই রোহিঙ্গাদের অধিকার ও প্রাধিকারসমূহ নিশ্চিত করার প্রশ্ন। শেখ হাসিনা বলেন, আমার সরকার নৈতিক এবং মানবিক কারণে সীমান্ত খুলে দিয়ে ও জরুরি সহায়তা দিয়ে রোহিঙ্গাদের পাশে দাড়িয়েছে। তিনি বলেন, রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি বাংলাদেশের অর্থনীতি, পরিবেশ এবং নিরাপত্তায় হুমকি সৃষ্টি করেছে। এ কারণে রোহিঙ্গাদের উপস্থিতি দীর্ঘায়িত হতে পারে না। তিনি বলেন, প্রতিবেশী দেশ হিসেবে আমরা এই সমস্যা শুরু থেকেই সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে মিয়ানমারের সাথে আলোচনা করে আসছি। তবে তাদের কাছ থেকে আশানুরুপ সাড়া আমরা পাচ্ছি না। এ সমস্যা সমাধানে শুধুমাত্র দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় কোন সুফল বয়ে আনবে না। এ জন্য অন্তর্জাতিক উদ্যোগ প্রয়োজন। কেবলমাত্র আন্তর্জাতিক চাপের মুখে মিয়ানমার তার অবস্থানের পরিবর্তন করতে পারে। শেখ হাসিনা এ বিষয়ে বলিষ্ট ভূমিকা রাখতে ওআইসি’র প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে খুঁজে বের করতে সারা বিশ্বে মুসলমানরা কেন এভাবে নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। মুসলমানরা কেন একে অন্যের বিরুদ্ধে লড়াই করছে। যদি কোনো সমস্যা থেকেই থাকে তবে তা দ্বিপক্ষীয় অথবা আঞ্চলিকভাবে আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা যেতে পারে।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।