,

সংবাদ শিরোনাম :
«» তসলিমা নাসরিনের ভিসার মেয়াদ তিন মাস বাড়াল ভারত! «» মালয়েশিয়ায় অবৈধদের সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা «» চট্রগ্রাম রেঞ্জ’র শ্রেষ্ঠ সাব-ইন্সপেক্টর হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার এস আই মোঃ বোরহান «» বিচ্ছেদের জন্য জেফ বেজোসকে গুনতে হচ্ছে ৩ হাজার ৮০০ কোটি ডলার «» ২৫ জুলাই ২৭৭টি স্থানীয় সরকারের নির্বাচন «» বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে মিরাজ «» ভিসা বন্ধ থাকা সত্বেও আবুধাবিতে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু «» মানুষ বহনে সক্ষম চন্দ্রযানের সফল পরীক্ষা «» বিমানবন্দর থেকেই ব্রিটিশ গায়িকাকে ফেরত পাঠাল ইরান «» চকরিয়ায় বিয়ের প্রস্তাব প্রত্যাখানে মেয়ের মাকে গলা কেটে হত্যা «» সালমানের সঙ্গে দেড়কোটি টাকার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান সেই জায়রা ওয়াসিমের «» জুলুমের অপরাধ অমার্জনীয় «» প্রয়োজনে যুদ্ধ করব, সৌদিকে কাতারের হুঁশিয়ারি «» কারো কাছে আমরা পানি চাইবো না, নদী খনন করে পানি ধরে রাখা হবে, বললেন প্রধানমন্ত্রী «» রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শনে আসছেন ৩বাহিনীর প্রধান «» পেরুর ৪৪ নাকি ব্রাজিলের ১২ বছর, আজ রাতে কার অপেক্ষার অবসান হবে? «» মরণোত্তর চক্ষু দান করেছেন সানাই মাহবুব «» আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা হলেন ইনাম আহমেদ চৌধুরী «» টেকনাফে বিস্তীর্ণ পাহাড়ে স্থানীয় ও রোহিঙ্গাদের বসবাস: পাহাড় ধ্বসের আশংকা «» মুরসির মৃত্যু নিয়ে জাতিসংঘের কাছে যেসব দাবি জানালেন এরদোগান «» ডিআইজি মিজানের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের নির্দেশ «» ইয়াবা রোহিঙ্গা বাংলাদেশের অভিশাপ! «» অবশেষে আলোচিত সেই ওসি মোয়াজ্জেম গ্রেফতার «» ১লাখ ৭০হাজার ইয়াবাসহ লেদার রবিউল র‌্যাব-১৫ এর হাতে আটক «» টেকনাফে ইয়াবা কিনতে গিয়ে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’নারায়নগঞ্জের রাসেল নিহত «» ঘুষ বন্ধে পুলিশের ইউনিফর্ম থেকে পকেট খুলে নিচ্ছে কেনিয়া সরকার «» এক আল্লাহ ছাড়া কাউকে ভয় করি না: শেখ হাসিনা «» ১২৫ রানেই অলআউট আফগানিস্তান «» টেকনাফ সমিতি ইউএই’র ঈদ পূণর্মিলনী অনুষ্টিত «» চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে ভর্তি হবার সাফল্য অর্জন করেছে টেকনাফের মেধাবী ছাত্র নয়ন

শ্রীলংকার এক রহস্যময় চূড়া কাহিনী!

বিশ্বে অনেক রহস্যময় চূড়া রয়েছে। এগুলো নিয়ে গবেষকরা নানাভাবে গবেষণা চালিয়ে থাকেন। এবার শ্রীলংকার এক রহস্যময় চূড়া কাহিনী আপনাদের সামনে তুলে ধরা হবে। শ্রীলংকার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের শ্রীপাডা নামক প্রদেশে একটি রহস্যময় আদম চূড়ার সন্ধান পাওয়া গেছে। হাজার হাজার বছর ধরে এক রহস্যের স্বাক্ষর বহন করে চলেছে এই অ্যাডাম পিক বা যাকে বলা হয় ‘আদম চূড়া’। খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ এমনকি মুসলিম ধর্মের অনুসারীদের কাছেও এটি পবিত্র এক চূড়া। শ্রীলংকার দক্ষিণ-পশ্চিম সীমান্তের শ্রীপাডা নামক প্রদেশে একটি রহস্যময় আদম চূড়ার সন্ধান পাওয়া গেছে। হাজার হাজার বছর ধরে এক রহস্যের স্বাক্ষর বহন করে চলেছে এই অ্যাডাম পিক বা যাকে বলা হয় ‘আদম চূড়া’। খ্রিস্টান, হিন্দু, বৌদ্ধ এমনকি মুসলিম ধর্মের অনুসারীদের কাছেও এটি পবিত্র এক চূড়া। শোনা যায় যে, হজরত আদম (আ:) বেহেশত হতে পতিত হন শ্রীলংকায়। আর আদি মাতা হজরত হওয়া (আ:) পতিত হন জেরুজালেমে। শ্রীলংকা হতে জেরুজালেমের দূরত্ব হাজার কিলোমিটার। মহান প্রভুর নিকট অনেক অনুতাপের পর উভয়ে মিলিত হন মধ্যপ্রাচ্যে। আর তাই বহুকাল ধরে শ্রীলংকার এই চূড়াকে কেন্দ্র করে রহস্য হয়ে আছে। হযরত আদম (আ:) এই চূড়ায় পতিত হয়েছিলেন বলে এই চূড়াটিকে বলা হয় আদম চূড়া বা ‘অ্যাডাম পিক’। জানা যায়, এই চূড়ার উচ্চতা হলো ৭৩৬২ ফুট বা ২২৪৩ মিটার। চূড়াটিতে হযরত আদম (আ:)-এর পায়ের যে চিহ্ন রয়েছে তার পরিমাপ হচ্ছে ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ হচ্ছে ২ ফুট ৬ ইঞ্চি। জানা যায়, এই চূড়ার উচ্চতা হলো ৭৩৬২ ফুট বা ২২৪৩ মিটার। চূড়াটিতে হযরত আদম (আ:)-এর পায়ের যে চিহ্ন রয়েছে তার পরিমাপ হচ্ছে ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি, দৈর্ঘ্য এবং প্রস্থ হচ্ছে ২ ফুট ৬ ইঞ্চি। বৌদ্ধ ধর্মমতে, খ্রিস্টপূর্ব ৩০০ অব্দে এই পদচিহ্নটি আবিষ্কৃত হয়। আবিষ্কৃত হওয়ার পরে পদচিহ্নের চতুর্দিকে ঘেরাও করে রাখা হয়েছে। যুগ যুগ ধরে শত শত পর্যটক পরিভ্রমণ করেছেন চূড়াটিতে। বিশ্বের যেসব নামকরা পর্যটক এই চূড়াটিতে পরিভ্রমণ করেছেন তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন ইবনে বতুতা (১৩০৪-১৩৬৪) এবং মার্কো পলো (১২৫৪-১৩২৪)। জানা যায়, এই চূড়াটিতে যারা পরিভ্রমণ করেছেন তারা এর চতুর্দিকে পরিদর্শন করা ছাড়াও স্পর্শ করেছেন হযরত আদম (আ:)-এর পদচিহ্ন। বৌদ্ধ ধর্মের অনুসারীরাই নাকি বেশি এই চূড়ায় যাতায়াত করেন। এ ধর্মের অনুসারীরা মনে করেন, এই চূড়াটি তাদের অস্তিত্বের আদি প্রতীক। কিন্তু এই চূড়াটিতে যাওয়া কোনো সহজ কাজ নয়। প্রথমে নৌকা কিংবা পানিতে চলে এমন ধরনের যানে আরোহণ করতে হবে। তারপর পায়ে হেঁটে উঁচু পাহাড়ে ওঠতে হয়। তারপর সেখান থেকে বহু কষ্টে চূড়ায় উঠতে হয়। আর এরমধ্যে ঘটতে পারে নানা বিপত্তি। সাপ, বিষাক্ত পোকামাকড়ের কামড়ে মৃত্যুও ঘটতে পারে যে কারও। হাজার হাজার বছর ধরে চলে আসা যে রহস্য আজও মানুষ জানতে পারেনি সেটি হলো- চূড়ার যে স্থানে হযরত আদম (আ:)-এর পায়ের চিহ্ন সেই স্থানে জানুয়ারি হতে এপ্রিল পর্যন্ত সূর্যের আলো এবং মে হতে নভেম্বর পর্যন্ত মেঘের ঘনঘটা বা কোনো বৃষ্টি পড়ে না। বহু রহস্য রয়েছে এই চূড়াটিকে কেন্দ্র করে। চমৎকার এই চূড়াটি বছরের পর বছর অবিকল রয়ে গেছে। ঝড়-বৃষ্টি বা কোনো কিছুতেই সৌন্দর্য এতটুকুও ম্লান হয়নি। আর তাই এই ‘আদম চূড়া’টি বিশ্বের মানুষ পবিত্র বলেই জানেন। যে কারণে মানুষের কাছে এটি একটি রহস্য হয়ে রয়েছে। প্রকৃত রহস্য ভেদ করা যায়নি আজ পর্যন্ত।

(10) বার এই নিউজটি পড়া হয়েছে

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।